টেকনিক্যাল এসইও যেভাবে আপনার বিজনেসের সেলসে প্রভাব ফেলে!

ওয়েব সাইটের স্পিড অপটিমাইজেশন হলো টেকনিক্যাল এসইও এর একটি পার্ট। আমরা বেশিরভাগ সমই এসইও করার ক্ষেত্রে অন-পেজ এবং অফ-পেজ এসইওকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। কিন্তু গুগল সার্চ সেন্ট্রাল ডকুমেন্টেশন এর তথ্য মতে কোর ওয়েব ভাইটাল / পেইজ এক্সপেরিয়েন্স ( টেকনিক্যাল এসইও) গুগল সার্চ ইঞ্জিনে র্যাংকিং এর ক্ষেত্রে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

গুগলের ক্রলার দ্রুতগতি সম্পন্ন ওয়েবসাইট গুলোর কন্টেনকে খুব দ্রুত রিড করে সার্চ ইঞ্জিনে ইন্ডেক্সিং করে।

এক্ষেত্রে আপনি সেরা কিওয়ার্ড আর কন্টেন্ট ব্যাবহার করেও টপ র্যাংকিং এ আসতে পারবেননা যদি আপনার ওয়েবসাইট স্লো থাকে।

হিসাব-নিকাশটা হচ্ছে অনেকটা এরকম, মনে করেন দীর্ঘদিন আপনি আপনার ওয়েবসাইট মেইটেনেন্স করছেন না। কোন একটা কারণে আপনার ওয়েবসাইট স্লো হয়ে গিয়েছে (অনেক কারন থাকতে পারে)। ইউজার সাইটে ভিজিট করার পরে স্লো লোডিং দেখে সে বাউন্স ব্যাক করে বের হয়ে যাবে এটা স্বাভাবিক।

সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদমও খুব দ্রুত এই বিষয়টি নোটিশ করে ফেলবে এবং আপনার সাইটের র্যাংকিং তাৎক্ষণিক ডাউন করে দিবে।

ফলাফল: আপনার সাইটে ভিজিটর কমে যাবে এবং আপনি পটেনশিয়াল কাস্টমার হারাবেন।

একটা স্মুথ ফাস্ট লোডিং ওয়েবসাইট ইউজারদের দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ধরে রাখতে সক্ষম। গুগল সার্চ ইঞ্জিনের তথ্য মতে যদি কোন ওয়েব পেইজের লোডিং টাইম ৩ সেকেন্ডের বেশি হয় তাহলে ৫০ শতাংশেরও বেশি ইউজার পেইজটি থেকে বাউন্স ব্যাক করে বের হয়ে যায়।

লোয়ার বাউন্স রেট এবং ইউজার টাইমিং এসইওতে  ইম্প্যাক্ট ফেলে এমন বিষয় গুলোকে ইমপ্রুভ করে।

আপনি যে ধরনেরই বিজনেসই করেননা কেনো আপনার অবশ্যই ওয়েবসাইট মেইনটেনেন্স (টেকনিক্যাল এসইও,কন্টেন্ট আপডেট ইত্যাদি) এর জন্য ডেডিকেটেড সাপোর্ট রাখতে হবে।

ওয়েবসাইটের মেইনটেনেন্সের গুরুত্ব বিস্তারিত তুলে ধরে পরবর্তী কোনো আর্টিকেলে আলোচনা করব।

সাহোল বিন সেলিম (সাদ)

Categorized in: